একদিনে রাতারগুল – বিছনাকান্দি ভ্রমন

Bisnakandi, Sylhet

আপনারা যারা রাতারগুল- বিছনাকান্দি যেতে চান!!!

১-রাতারগুল + বিছনাকান্দি= ১ দিন।

আপনি যদি একদিনে রাতারগুল এবং বিছনাকান্দি ভ্রমন করতে চান, তাহলে আপনাকে মিনিমাম সকাল ৮ টার আগে শহর থেকে বের হতে হবে। যেমনঃ সকাল ৮ টায় শাহজালাল র. মাজার থেকে 2 মিনিট হেটে আম্বরখানা থেকে সিএনজি রিজার্ভ যোগে বের হবেন রাতারগুল এর উদ্দ্যেশ্যে। ৯.৩০ মিনিটে রাতারগুল পৌছাবেন ইনশাআল্লাহ। রাতারগুলে আপনি অবস্থান করবেন ১২ টা পর্যন্ত। এসময়ের মধ্যে আপনি নৌকা ভ্রমণ, বনের মধ্যে হাটাহাটি,জোঁক নিয়ে টানাটানি! ইত্যাদি শেষ করতে পারবেন ১২ টার মধ্যে। ১২ টার সময় রাতারগুল থেকে বিছনাকান্দির অভিমুখে রওয়ানা।

বিছনাকান্দি পৌঁছাবেন দুপুর ১.৩০ থেকে সর্বোচ্চ ২ টা পর্যন্ত। বিছনাকান্দি অবস্থান করবেন বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ফটো তোলা, গোসল করা, কমদামে ইন্ডিয়ান পন্য কেনা সবই করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। বিকেল ৫ টার সময় সিলেট শহর ব্যাক করবেন।

সিলেট শহরে পৌঁছাতে পারবেন সন্ধ্যা ৭টার সময়। তারপর রিজেনেবল প্রাইসে পানসি অথবা পাচঁ ভাই রেস্টুরেন্ট এ জম্পেশ খাওয়া-দাওয়া! এবং ঘুম………….।

ভাড়া = আপনি যদি শুধুই বিছনাকান্দি যেতে চান তাহলে সিএনজি রিজার্ভ সর্বোচ্চ১৩০০ বা ১৪০০ টাকা। একটা সিএনজিতে পাঁচ জন যেতে পারেন। রাস্তা মেরামত চলছে এজন্য একটু কষ্ট হবে। সিলেট শহর থেকে লোকাল বিছনাকান্দি যায় জনপ্রতি ১৪০ টাকা। আর যদি রাতারগুল এবং বিছনাকান্দি একসাথে যেতে চান তাহলে পুরো দিন সিএনজি রিজার্ভ ১৮০০টাকা থেকে সর্বোচ্ছ ২০০০টাকা। নৌকা ভাড়া=৯০০ থেকে ১২০০ টাকা। মূল বিছনাকান্দি পয়েন্ট এ যেতে ৩ টা নৌকা ঘাট আছে। এর মধ্যে ২টা ঘাটে ক্ষমতাসীন রা ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে! (আশা করি বুঝতে পারছেন কেনো নির্ধারণ করে দিয়েছে!! টাকার লোভে) কিন্তু আপনারা সিএনজি ওয়ালা কে বলবেন, মামা যে ঘাটে সরকার কর্তৃক ভাড়া নির্ধারণ হয়নি ওই ঘাটে আমাদের নিয়ে যান! (সিএনজি ওয়ালা অবশ্য ঘাড় বাকা করে তাকাতে পারে, এরা এত কিছু কেমনে জানে) -ঘাটের নাম টা সম্ভবত পশ্চিম পাড়ের ঘাট। ঘাটে নিয়ে যাওয়ার পর আপনারা দামাদামি করবেন, ভাড়া নিবে ৭০০থেকে সর্বোচ্ছ ৯০০টাকা। ছোট একটা নৌকায় ১০ জন যেতে পারবেন। আর সরকার কর্তৃক ভাড়া হচ্ছে ১৫০০ টাকা! এখানে যদি ৮০০/৯০০টাকা সেইভ হয় তাহলে স্টুডেন্ট দের জন্য অনেক কিছু।

বিছনাকান্দি থেকে কেও ইন্ডিয়ান পন্য কিনতে চাইলে দামাদামি করে কয়েক দোকান দেখে কিনবেন আশা করি।

পুনশ্চঃ আজ এ পর্যন্ত! কালকে ইনশাআল্লাহ জাফলং,এবং লালাখাল নিয়ে পোস্ট দিতে চেষ্টা করবো। * আর একটা কথা শহরের অধিকাংশ রেস্তোরা , হোটেল কিন্তু স্থানীয়রা চালায় না! অনেক সময় তাদের খারাপ ব্যবহারের কারনে আমাদের লজ্জায় পরতে হয়। প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে অনেক ট্যুরিস্ট যাচ্ছেন এবং ময়লা ফেলে আসছেন।এবং আশে পাশে ইন্ডিয়ান জিনিস পত্রের দোকান যা দিন দিন এই বিছনাকান্দি কে নস্ট করে দিচ্ছে। সেদিকে খেয়াল রাখবেন প্লিজ।

20 April, 2018 | 2:37 Saiful Talukder No-comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *